Aug 30, 2012

হাদিস এর অনুবাদ (ক্র্য় বিক্রয় পর্ব)

হাদিস নং২৬৪২
বিখ্যাত সাহাবী হযরত নোমান ইবনে বশীর(রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন,ইসলামে হালাল বিষয়গুলো যেমন সুষ্পষ্ট হারাম বিষয়গুলোও তেমনি সুষ্পষ্ট। এতদুভয়ের মাঝে কিছু সন্দেহযুক্ত বিষয় রয়েছে, যেগুলোর বৈধতা ও অবৈধতার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষেরই কোনো ধারণা নেই। অতঃপর যে ব্যক্তি এসব সন্দেহযুক্ত বিষয় হতে নিজেকে বিরত রাখবে,সে নিজের দ্বীন ও ইজ্জতকে সংরক্ষণ করবে। আর যে ব্যক্তি এসব সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলোতে পতিত হবে সে হারামের মধ্যে পতিত হবে।যেমন কোনো রাখাল যদি সংরক্ষিত এলাকার চারপাশে তার পশু চারণ করে তাহলে এ সম্ভাবনা আছে যে, তার পশু হয়ত চরে বেরানোর এক পর্যায়ে সংরক্ষিত এলাকার ভিতরে ঢুকে পড়বে।অবশেষে রাসূল (স) উপস্থিত সাহাবীগনের উদ্দেশ্যে বলেন, হে সাহাবীগণ! তোমরা জেনে রাখ, প্রত্যেক রাজা বাদশারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে,তদ্রুপ আল্লাহ তায়ালারও একটি সংরক্ষিত এলাকা রয়েছে।আর তা হলো তাঁর হারাম ও নিষিদ্ধ কাজসমূহ । তোমরা জেনে রাখ,মানুষের দেহের অভ্যন্তরে একটি ছোট্ট গোশতের টুকরা রয়েছে।যদি তা সুস্থ থাকে,তাহলে তার গোটা দেহ সুস্থ থাকে আর যদি তা বিপর্যস্ত হয়ে যায়,তাহলে গোটা দেহ বিপর্যস্ত হয়ে যায়।দেহের অভ্যন্তরের সে গোশতের টুকরার নাম হচ্ছে অন্তর।                                                              
(বুখারী ও মুসলিম)

Aug 25, 2012

মানবিক আবেদন



আমরা যারা মুসলমান ভাই ও বোনেরা আছি তারা যদি একজন করে মানুষ এর দায়িত্ব নিতে পারি তাহলে আমাদের এই পৃথিবী কত সুন্দর হত।

Aug 19, 2012

সূরা আন-নূর এর অনুবাদ

১, এটা একটি সূরা। এটা আমি অবতীর্ণ করেছি এবং এতে উল্লেখিত বিধানাবলি অবশ্য পালনীয় করে দিয়েছি।আর তাতে আমি সুস্পস্ট আয়াতসমূহ অবতীর্ণ করেছি।আশা করা যায় তোমরা স্মরণ রাখবে অর্থাৎ উপদেশ গ্রহণ করবে।

২,ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী যদি অবিবাহিত হয়,তাহলে উভয়ের প্রত্যেককে একশত করে বেত্রাঘাত করবে।বিবাহিতদের ক্ষেত্রে ব্যভিচারের শাস্তি হলো রজম বা প্রস্থরঘাতে হত্যা করা; যা সুন্নাহ দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে এর সাথে এক বছরের নির্বাসন বৃদ্বি করা হয়েছে সূন্নাহ দ্বারা। আর দাস দাসীর বেলায় উল্লেখিত দন্ডবিধির অর্ধেক প্রয়োগ হবে। আল্লাহর বিধাণ কার্যকরীকরণে যেন এরকম না হয়, যাতে তোমরা তাদের প্রতি দন্ডবিধি প্রয়োগে কিছু শিথিল করবে। যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবস তথা পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর একদল মুমিন যেন এতুদভয়ের ওপর অর্পিত শাস্তি তথা চাবুকাঘাত প্রত্যক্ষ করে। (কমপক্ষে ৩ জন বা ৪ জন যেনার সাক্ষী) 
৩, ব্যভিচারী পুরুষ যেন ব্যভিচারী নারী কিংবা মুশরিক নারী ব্যতীত বিয়ে না করে। আর ব্যভিচারী নারীকেও ব্যভিচারী পুরুষ কিংবা মুশরিক ব্যতীত কেউ বিয়ে করবে না; এটা এতদুভয়ের মাঝে সামঞ্জস্যতার কারনে উৎকৃষ্ট মুমিনদের জন্য এদেরকে অর্থাৎ ব্যভিচারীদেরকে বিয়ে করা হারাম করা হয়েছে।

Aug 17, 2012

ঈদের তাৎপর্য ও ইবাদত

মুসলমানদের জন্য দুটি খুশির দিন প্রথমটি হল ঈদুল ফিতর আরেকটি হল ঈদুল আযহা । ঈদুল ফিতর মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে খুশির দিন। কারণ এই ঈদ আসে দীর্ঘ একমাস রমজান এর সিয়াম সাধনার পর। কিন্তু এই ঈদের দিনকে আমরা আনন্দ হাসি তামাশায় গান বাজনার মাধ্যমে অতিবাহিত করি। কিন্তু এটা করা কি ঠিক নয় এই ঈদের রাতেও আমাদেরকে ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে সমস্ত ইবাদত বন্দেগী আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আর সমস্ত খুশি আল্লাহর জন্য। এখানে একটা ঘটনা  উল্লেখ্য যে এক রাজার অনেক গুলো বিবি বা দাসী ছিল এর ভিতর এক জন ছিল খুব কালো পাতলা আর শুকনা কিন্তু অন্য বিবিরা ছিল রুপবতী আর স্বাস্থবান কিন্তু রাজা সেই কালো বিবিকে বেশী ভালবাসত এর কারণ সম্পর্কে অন্য বিবিরা প্রশ্ন করলে রাজা       
সব বিবিকে বলল তোমাদের জন্য অনেক উপহার রয়েছে সব বিবি যার যার পছন্দমত উপহার নিয়ে নিল কিন্তু কালো বিবি টা কিছু নিলনা তখন রাজা তাকে প্রশ্ন করলেন সকলের সামনে তখন সেই বিবি উত্তর দিলেন আমি শুধু আপনাকে চাই আর কিছু না । তখন রাজা অন্য বিবিদের ডেকে বললেন তোমরা সকলে দেখ আর শুনে রাখ যে আমাকে ভালবাসে আর শুধু আমাকে চায় আমি শুধু তাকেই ভালবাসব আর তাকেই আমার নিজ হাতে পুরস্কার দিব। এই গল্প থেকে আমরা শিখতে পারি যে যদি আমরা শুধু আল্লাহকে চাই তাহলে আমাদের আর কিছু লাগবেনা আল্লাহ আমাদের নিজ হাতে আমাদের পুরস্কার দিবেন।অতএব আমাদের উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত করা।আর ঈদের দিন কেউ যদি একান্তভাবে আল্লাহর ইবাদত করে আর শয়তানের পথ অনুসরণ না করে তাহলে আমাদের পরবর্তী জীবন হবে আনন্দপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ ।

Aug 14, 2012

শবে কদর এর তাৎপর্য ও ইবাদত

শবে কদর মুসলমানদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদতের রাত্রি । কারণ এই রাত্রের ইবাদত হাজার মাস ইবাদত করার চাইতেও আরো বেশী সওয়াবের রাত্রি । এই রাত্রে ইবাদত করার নিয়ম খুব সহজ আবার খুব কঠিন । সহজভাবে ইবাদত করা বলতে বুঝায় আপনি এশার নামায আদায় করবেন আর দ্বিতীয় কোন কাজ করবেন না সোজা ঘুমিয়ে যাবেন এরপর সেহরী করে ফজর এর নামাজ আদায় করবেন । কিন্তু এর সওয়াব কতটুকু পাবেন স্বয়ং আল্লাহ জানেন । আর কঠিন করে বলতে বুঝায় এশার নামায আদায় করার পর আপনি দুই দুই রাকাত করে আপনি যতটুকু পারেন ইবাদত করবেন তবে নিম্নে ১২ রাকাত নামায আদায় করবেন এছাড়া আপনি কুরআন তেলাওয়াত,যিকির,কাযা নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় ইবাদত করতে পারেন। তবে কোন মুসলমান ভাই ও বোনেরা এই রাতকে অবহেলা করে হেলায় হারাবেন না । কারণ এই রাতকে হেলায় হারালে আপনি হয়তো জীবনে আর নাও পেতে পারেন । মৃত্যু আপনাকে যেকোন সময় এই পৃথিবী থেকে নিয়ে নিতে পারে।

Aug 13, 2012

জানতে থাকুন শিখতে থাকুন

আমার এই পৃষ্ঠায় আপনারা জানতে পারবেন বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ এবং জটিল অনেক বিষয়ের সহজভাবে উপস্থাপন আর নতুন নতুন বিষয়ে অনেক আকর্ষনীয় তথ্য অতএব আপনারা আমাদের সাথেই থাকুন

ইসলাম আমাদের শান্তির বাণী

আজ থেকে ১৫০০ বছর আগে ইসলাম এর প্রচার শুরু হয়। ইসলাম এর প্রচার শুরু করেন হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আর এটার গ্রহণ কর্তা হলেন স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা ।যুগে যুগে এই ধর্ম প্রচার হয়েছে অনেক মণিষীদ্বারা ।বাংলাদেশে এই ধর্মের প্রচার শুরু হয় ইসলাম এর প্রথম যুগে পরবর্তীতে এই ধর্ম আমাদের দেশে  ব্যাপকহারে প্রচার ও প্রসার হয় ।