Sep 24, 2012

Sep 15, 2012

জেগে ওঠো মুসলিম সমাজ


পৃথিবীর প্রায় সব মুসলিম দেশে 'ইনোসেন্ট অফ মুসলিম' সিনেমা তৈরী না করার জন্য প্রতিবাদ চলছে। আমরা যারা সাধারণ মুসলমান তারা তো সরকার এর কারনে রাস্তায় আন্দোলন করতে পারছি না তারা অন্তত মন থেকে ঘৃণা করে এর প্রতিবাদ করার চেষ্টা করতে পারি। কারন হাদিস এ আছে যদি তোমরা অস্র,হাত ইত্যাদি দ্বারা ইসলাম এর বিরুদ্ধে যারা কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে কিছু করতে না পার তাহলে অন্তত মন থেকে ঐ কাজকে ঘৃণা কর । কারন এটা দুর্বলতম ঈমানের পরিচয়। আর যারা সিনেমা তৈরী করার বিরুদ্ধে রাস্তায় প্রতিবাদ করছেন তাদেরকে এই ব্লগ এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Sep 11, 2012

সুদ থেকে বাঁচুন

মূল কিতাব নং ২৬৮৪

বিশিষ্ট সাহাবী হযরত সামেত (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ, রৌপ্য,গমের বিনিময়ে গম, যবের বিনিময়ে যব, খেজুরের বিনিময়ে খেজুর এবং লবনের বিনিময়ে লবন সমান সমান করে  
নগদে ক্রয়বিক্রয় বৈধ । তবে বিক্রীত বস্তু ও মূল্য যদি বিভিন্ন হয় অর্থাৎ উল্লেখিত বস্তুসমূহের একটিকে অন্যটির বিনিময়ে যদি আদান প্রদান করা হয়, তাহলে তোমরা কম বেশি করে নগদ এ বিক্রি করতে পার ।এতে কোন সুদ হবে না ।

সুদবভিত্তিক অর্থব্যবস্থা ইসলামী অর্থব্যবস্থার প্রধান অন্তরায় । এটি মানব সমাজে সুষম বন্টননীতিকে চরমভাবে বাধাগ্রস্থ করে । সুতরাং সুদভিত্তিক লেনদেন পরিহার করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য আবশ্যক ।

Sep 5, 2012

ব্যবসায় ধোঁকা দিবেন না


মূল কিতাব হাদিস নং ২৬৭৯

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী করীম (স)-কে বলল, আমি ক্রয় বিক্রয়ে প্রতারিত হই। অতঃপর মহানবী (স) বললেন, যখন তুমি ক্রয় বিক্রয় করবে তখন তুমি বলে দিবে, ধোঁকা দিবেন না আমার প্রত্যাখ্যান করার  অবকাশ থাকবে। সে মতে লোকটি এরুপ বলে দিত।

ধোঁকার মাধ্যমে বিক্রি করা কবিরা গুনাহ। সুতরাং ক্রয় বিক্রয় এর ক্ষেত্রে এ পন্থা অবলম্বন না করাই উত্তম।
(বুখারী ও মুসলিম)

Sep 4, 2012

হাদিস সংগ্রহ

মূল কিতাব হাদিস নং ২৬৪৪

বিশিষ্ট সাহাবী আবূ মাসউদ আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (স) কুকুরের মূল্য গ্রহণ, পতিতাবৃত্তির উপার্যন এবং গণনের বিনিময় গ্রহণ করা থেকে নিষেধ করেছেন।
( বুখারী ও মুসলিম )
অতএব উপার্জনের নিমিত্ত বৈধ ব্যবসা করা প্রতিটি মুমিনের জন্য আব্যশক।

মূল কিতাব হাদিস নং ২৬৫৭

প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালার লানত মদের ওপর, মদপানকারীর ওপর, যে মদপান করায় তার ওপর, মদ বিক্রেতার ওপর, মদ ক্রেতার ওপর, মদ বহনকারীর ওপর এবং যার প্রতি বহন করা হয় তার ওপর।
(আবূ দাউদ ও ইবনে মাজাহ)
মদপান দ্বারা মানুষের জ্ঞানের বিকৃতি ঘটে। ফলে সে চলাফেরা, কথাবার্তায় ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে না । তাই এর ক্ষতির দিক বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে একে আল্লাহ তায়ালা চিরতরে হারাম করেছেন । আমাদের উচিত তা পরিহার করে চলা।